ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীরা সনদ, ট্রান্সক্রিপ্ট ও নম্বরপত্র তুলতে দীর্ঘসূত্রতা এবং দাপ্তরিক জটিলতার অভিযোগ করেছেন। অনলাইনে আবেদন ব্যবস্থা থাকলেও প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের জন্য বারবার ক্যাম্পাসে আসতে হচ্ছে বলে তাদের দাবি। এতে উচ্চশিক্ষা, চাকরি ও বিদেশে পড়াশোনার আবেদনে সময়মতো নথি জমা দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ছে। বর্তমান শিক্ষার্থীদেরও প্রতি সেমিস্টার শেষে মার্কশিট তুলতে দুদিন অপেক্ষা করতে হয়।
পরীক্ষানিয়ন্ত্রক দপ্তরের সেবা নিয়ে অসন্তোষ নতুন নয়। ২০১৭ সালে সময়মতো ট্রান্সক্রিপ্ট না পেয়ে শিক্ষার্থীরা দপ্তরে ভাঙচুর করেছিলেন; তখন দক্ষ জনবল, যন্ত্রপাতি ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতার ঘাটতির কথা বলা হয়। শিক্ষার্থীরা এখন আবেদন কোন পর্যায়ে আছে বা কবে কাগজপত্র মিলবে, তা জানার কার্যকর ব্যবস্থা নেই বলে অভিযোগ করেন। তারা পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল অটোমেশন, অনলাইন ফি, আবেদন ট্র্যাকিং, আইটি জনবল বৃদ্ধি ও নিয়মিত সমাবর্তনের সুপারিশ করেছেন।
ভারপ্রাপ্ত পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মাছুদুল হক তালুকদার বলেন, দুর্ভোগ কমাতে প্রশাসন কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছে। কুয়েটের আইসিটি বিশেষজ্ঞদের কমিটির সহায়তায় পুরো ব্যবস্থা অনলাইনভিত্তিক অটোমেশনের আওতায় আনার কাজ চলছে। তিনি জানান, নিয়ম অনুযায়ী জরুরি ফিতে পাঁচ কর্মদিবস এবং সাধারণ আবেদনে ১৫ কর্মদিবসের মধ্যে সনদ বা নম্বরপত্র দেওয়া হচ্ছে।
সনদ ও ট্রান্সক্রিপ্ট পেতে দীর্ঘসূত্রতা কমাতে অটোমেশনের কাজ চলছে বলে ইবি কর্তৃপক্ষের দাবি
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।