মধ্যপ্রদেশের উজ্জয়িনীতে ঐতিহাসিক শাহী মসজিদের একাংশ ভাঙার ঘটনায় ধর্মীয় স্থানের সুরক্ষা নিয়ে স্থানীয় মুসলিমদের মধ্যে উদ্বেগ বেড়েছে। কড়া পুলিশি পাহারা ও ব্যারিকেডের মধ্যে টানা তিন দিন ভাঙার কাজ চলে। প্রশাসন জানায়, ২০২৮ সালের কুম্ভ মেলার প্রস্তুতিতে রাস্তা চওড়া করার জন্য এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তবে স্থানীয় মুসলিমরা এর বিরোধিতা করে মসজিদের ভেতরে দুই সপ্তাহের বেশি সময় অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন।
সোমবার মসজিদের ঝুলন্ত স্ল্যাবের অংশ ভাঙা হয় এবং পরে মিনারের দিকে কাজ এগোয়। সবুজ চাদরে ঢেকে মিনার ভাঙার সময় মসজিদের গম্বুজ ও প্রথম তলাও ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রশাসন ক্ষয়ক্ষতির জন্য যন্ত্রপাতির ত্রুটিকে দায়ী করেছে। অন্যদিকে স্থানীয় মুসলিমদের অভিযোগ, কাজটি তাড়াহুড়ো করে এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে করা হয়েছে। জেলা প্রশাসন ও নুমাইন্দা মসজিদ কমিটির মধ্যে একটি চুক্তির কথাও বলা হয়েছে।
২৮ সেপ্টেম্বর ভাঙা ঠেকাতে গেলে পুলিশ টিয়ার গ্যাস ও লাঠিচার্জ করে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়। পুলিশের দাবি, বিক্ষোভকারীরা পাথর ছুড়েছিল এবং কাজে বাধা দিয়েছিল। ১৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তিন থানায় সাতটি এফআইআরে ৩০ জনের বেশি মানুষের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।
উজ্জয়িনীর মসজিদ ভাঙাকে ঘিরে বিক্ষোভ, গ্রেপ্তার ও ধর্মীয় স্থানের সুরক্ষা নিয়ে উদ্বেগ
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।