বাংলাদেশে প্যাকেটজাত অতি-প্রক্রিয়াজাত খাদ্যের জন্য বাধ্যতামূলক ফ্রন্ট-অফ-প্যাকেজ সতর্কতামূলক লেবেল দ্রুত চূড়ান্ত করার দাবি জানিয়েছেন জনস্বাস্থ্য সংশ্লিষ্টরা। বিশ্ব খাদ্য দিবস ২০২৬ উপলক্ষে গ্লোবাল হেলথ অ্যাডভোকেসি ইনকিউবেটরের সহযোগিতায় গবেষণা ও অ্যাডভোকেসি প্রতিষ্ঠান প্রজ্ঞা আয়োজিত ওয়েবিনারে এ দাবি ওঠে। বক্তারা বলেন, সহজ ও স্পষ্ট সতর্কতামূলক লেবেল ভোক্তাদের সচেতন খাদ্য নির্বাচন এবং খাদ্যজনিত অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করতে পারে।
নিরাপদ খাদ্য (মোড়কাবদ্ধ খাদ্য লেবেলিং) প্রবিধানমালা, ২০২৬-এর খসড়া বর্তমানে খাদ্য মন্ত্রণালয়ে রয়েছে। ওয়েবিনারে বলা হয়, সব বয়সী মানুষের মধ্যে অতিরিক্ত লবণ, চিনি ও সম্পৃক্ত চর্বিযুক্ত খাবার গ্রহণ বাড়ছে। গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, দেশের ৯৭ শতাংশ মানুষ সপ্তাহে অন্তত একবার এসব খাবার খান। বর্তমানে প্যাকেটের পেছনে থাকা জটিল পুষ্টিতথ্য ভোক্তাদের জন্য বোঝা কঠিন বলেও বক্তারা উল্লেখ করেন।
বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সদস্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শোয়েব জানান, ডব্লিউটিওর বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে দেওয়া হয়েছে এবং ব্যবসায়িক সংগঠনগুলোর সঙ্গে কাজ চলছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, প্রবিধানটি দ্রুত গেজেট আকারে প্রকাশ করা সম্ভব হবে। বক্তারা স্বেচ্ছামূলক লেবেলিং, ছোট প্যাকেটে ছাড়, বাস্তবায়নে বিলম্ব এবং কম দৃশ্যমান সতর্কবার্তার দাবির বিরোধিতা করেন।
প্যাকেটজাত অতি-প্রক্রিয়াজাত খাদ্যে বাধ্যতামূলক সতর্ক লেবেল দ্রুত চূড়ান্তের দাবি
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।