ইরানের সঙ্গে তিন সপ্তাহের যুদ্ধ শেষে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এমন এক সঙ্কটে পড়েছেন যা তার নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে। বিশ্বজুড়ে তেলের দাম বেড়েছে, যুক্তরাষ্ট্র মিত্রদের থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে এবং স্বল্পমেয়াদি অভিযান প্রতিশ্রুতির পরও ইরানে আরও সৈন্য পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তায় সহায়তা না করায় ট্রাম্প ন্যাটোকে ‘কাপুরুষ’ আখ্যা দিয়ে তাদের পাশে না দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন। তবে তার সামরিক বিজয়ের দাবি বাস্তব পরিস্থিতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক, কারণ ইরান এখনো ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাচ্ছে এবং তেল সরবরাহ বন্ধ রেখেছে।
বিশ্লেষক ও সাবেক কর্মকর্তারা বলছেন, ট্রাম্প নিজেই এমন এক যুদ্ধে জড়িয়েছেন যার কোনো স্পষ্ট প্রস্থান পরিকল্পনা নেই, ফলে তার রাজনৈতিক উত্তরাধিকার ও দলের ভবিষ্যৎ ঝুঁকিতে পড়েছে। হোয়াইট হাউস দাবি করছে, অভিযান সফল হলেও উপদেষ্টারা ট্রাম্পকে ‘সম্মানজনক প্রস্থান’ খুঁজতে পরামর্শ দিচ্ছেন। ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্কেও মতভেদ দেখা দিয়েছে এবং দেশে জ্বালানির দাম বাড়ায় জনঅসন্তোষ বাড়ছে।
রয়টার্স জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে হাজার হাজার অতিরিক্ত মেরিন ও নৌসেনা পাঠাচ্ছে, যদিও স্থল অভিযানের সিদ্ধান্ত এখনো হয়নি। বিশ্লেষকদের মতে, স্পষ্ট কৌশল না থাকলে ট্রাম্পের যুদ্ধ নিয়ন্ত্রণ ও রাজনৈতিক প্রভাব আগামী সপ্তাহগুলোতে আরও দুর্বল হতে পারে।
ইরান যুদ্ধে নিয়ন্ত্রণ হারাচ্ছেন ট্রাম্প, মিত্রদের অনীহা ও অভ্যন্তরীণ চাপ বাড়ছে
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।