বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) ভোক্তা পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম প্রায় ২০ শতাংশ বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে, যা জুন ২০২৬ থেকে কার্যকর হবে এবং জুলাই মাসে বিল পরিশোধ করতে হবে। পাইকারি পর্যায়ে দাম বাড়ছে ১৯ দশমিক ৮৫ শতাংশ এবং খুচরা পর্যায়ে মধ্যবিত্ত পরিবারের ব্যবহৃত চতুর্থ ধাপে ১৯ দশমিক ৯৫ শতাংশ। নিম্নচাপের ব্যবহারকারীদের গড় বৃদ্ধি ১৮ দশমিক ২১ শতাংশ। বিইআরসি চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ সংবাদ সম্মেলনে জানান, বিদ্যমান পরিস্থিতি বিবেচনা করেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সরকারকে এখনো বিদ্যুৎ খাতে ৪১ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দিতে হবে।
গত ১৯ ও ২০ মে অনুষ্ঠিত গণশুনানিতে ভোক্তারা দাম বৃদ্ধির তীব্র বিরোধিতা করলেও চার কার্যদিবসের মধ্যে কমিশন আদেশ জারি করে। বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রীর পূর্ব প্রতিশ্রুতি থাকা সত্ত্বেও এই বৃদ্ধি কার্যকর হচ্ছে। প্রায় চার কোটি ৯৮ লাখ গ্রাহক এই সিদ্ধান্তের প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এতে জীবনযাত্রার ব্যয়, ক্ষুদ্র শিল্প ও ব্যবসায়িক খাতে চাপ বাড়বে।
নতুন দর অনুযায়ী সেচ, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও ব্যাটারি চার্জিংয়েও অতিরিক্ত বিল যোগ হবে। সমালোচকরা বলছেন, বিদ্যুৎ খাতের দুর্নীতি ও অনিয়ম বন্ধ না করলে এমন মূল্যবৃদ্ধি অব্যাহত থাকবে।
বিইআরসি বিদ্যুতের দাম রেকর্ড ২০ শতাংশ বাড়িয়েছে, জনজীবনে চাপের আশঙ্কা
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।