চীনা কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগের প্রধান ও মন্ত্রী লিউ হাইশিং বলেছেন, বাংলাদেশে কোন রাজনৈতিক দল সরকারে আছে কি না, তা বিবেচনা না করে সব প্রধান দলের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রাখতে আগ্রহী চীন। বুধবার ঢাকায় বাংলাদেশ-চীন পার্টি অ্যান্ড স্টেট গভর্ন্যান্স স্টাডিজ সেন্টারের উদ্বোধন ও এক সেমিনারে তিনি এ কথা বলেন। মঙ্গলবার রাতে তিন দিনের সফরে ঢাকায় আসা লিউ রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গেও সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
লিউ বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর অভিজ্ঞতা বিনিময় ও পারস্পরিক সহযোগিতা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এগিয়ে নিতে পারে। তিনি জানান, পাঁচ দশকে দুই দেশের বাণিজ্য ১ কোটি ৫০ লাখ ডলার থেকে বেড়ে ২,৩০০ কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে। সড়ক, সেতু ও টানেলসহ বাংলাদেশের অবকাঠামো প্রকল্পে চীনের সহযোগিতার কথাও তিনি উল্লেখ করেন। তিস্তা নদী পুনরুদ্ধার ও সমন্বিত ব্যবস্থাপনা এবং মোংলা বন্দর শিল্পপার্কের অগ্রগতিতে জনগণের সুফলের আশা প্রকাশ করেন তিনি।
রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে যোগাযোগ, সবুজ জ্বালানি, শিক্ষা, সংস্কৃতি ও অর্থনৈতিক করিডোরে সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়। প্রধানমন্ত্রী ১৩ লাখ রোহিঙ্গার উপস্থিতিতে অর্থনীতি, সমাজ, জনমিতি ও পরিবেশে চাপের কথা তুলে ধরে চীনের সহযোগিতা চান। লিউ বলেন, তিনি এ উদ্বেগ প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে জানাবেন। চীন বাংলাদেশের আরসিইপিতে অন্তর্ভুক্তির প্রতিও সমর্থন জানায়।
ঢাকা সফরে চীন বলেছে, বাংলাদেশের সব রাজনৈতিক দলই তাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।