দিনাজপুরের পার্বতীপুরে মধ্যপাড়া ভূগর্ভস্থ কঠিন শিলাখনিতে অ্যামোনিয়াম নাইট্রেটের সংকটে ৫২ দিন উৎপাদন বন্ধ থাকার পর গত ১১ জুলাই পাথর উত্তোলন আবার শুরু হয়েছে। বিস্ফোরক সরবরাহ পাওয়ার পর কার্যক্রম সচল হওয়ায় পাথর উৎপাদন ও বিক্রি বেড়েছে এবং সরকারের রাজস্ব আয়ও বৃদ্ধি পেয়েছে। খনি থেকে উত্তোলিত পাথরের বড় অংশ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পে যাচ্ছে।
জিটিসি মাসে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টন পাথর উত্তোলনের লক্ষ্যে কাজ করছে এবং বর্তমানে উৎপাদন রেকর্ড পর্যায়ে পৌঁছেছে বলে জানানো হয়েছে। ২০২১ সালের ৩ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর ছয় বছর মেয়াদি চুক্তিতে ১৪টি স্টোপ উন্নয়নের মাধ্যমে ৮৮ লাখ ৬০ হাজার টন পাথর উৎপাদনের কথা রয়েছে। মার্চে খনিতে প্রায় ১৫ লাখ টন অবিক্রীত পাথর মজুত ছিল, তবে পরে বিক্রি বাড়ায় সেই চাপ কিছুটা কমেছে।
বিস্ফোরকের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ, বাজার নিশ্চিত করা এবং উচ্চ পরিবহন ব্যয় এখনো খনিটির প্রধান সমস্যা। ভবানীপুর থেকে মধ্যপাড়া পর্যন্ত ১৩ কিলোমিটার রেলপথ প্রায় ১৫ বছর ধরে অচল। রেলপথ সংস্কারে প্রায় ১৩৪ কোটি টাকার প্রকল্প নেওয়া হয়েছে; এটি চালু হলে পরিবহন ব্যয় কমবে এবং বিভিন্ন অঞ্চলে পাথর সরবরাহ সহজ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
৫২ দিন পর মধ্যপাড়া খনিতে উৎপাদন শুরু, বেড়েছে পাথর বিক্রি ও রাজস্ব
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।