লক্ষ্মীপুর বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী নুরুল আমীনের বিরুদ্ধে ঘুস ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। আমার দেশ-এর হাতে থাকা একটি ভিডিওতে তাকে এক ঠিকাদারের কাছ থেকে ১ লাখ ৩৫ হাজার টাকা নিতে দেখা গেছে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়। ভিডিও নিয়ে প্রশ্ন করলে তিনি প্রথমে এটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে তৈরি বলে দাবি করেন। পরে আংশিক চিত্র দেখানোর পর তিনি বলেন, ভিডিও প্রচার হলে কর্তৃপক্ষ তাকে সাসপেন্ড করলে তিনি বিশ্রাম নিতে পারবেন।
লক্ষ্মীপুরের কয়েকজন ভুক্তভোগী ঠিকাদার দুর্নীতি দমন কমিশনে অভিযোগ দিয়েছেন যে, নুরুল আমীন নগদ টাকা নিতেন এবং টাকা না দিলে কাজের বিল আটকে রাখতেন। নিরাপত্তার কারণে নাম প্রকাশ না করা এক ঠিকাদার দাবি করেন, প্রায় ১৫ লাখ টাকার একটি লাইনের কাজের জন্য শুরুতে ৫ শতাংশ কমিশন নেওয়া হয়। কাজ শেষের পর বিল চূড়ান্তের আগে আরও সাড়ে ৪ লাখ টাকা দাবি করা হয় বলেও তিনি অভিযোগ করেন।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভিডিওটি সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড কার্যালয়ের ডরমেটরিতে ধারণ করা হয়, যেখানে নুরুল আমীন নিয়মিত থাকেন। অন্য একটি ক্লিপে প্রায় ৫ কোটি টাকার বিল সই করতে ২ কোটি টাকা চাওয়ার কথা তাকে বলতে শোনা যায় বলে দাবি করা হয়েছে। তবে ১২ হাজার কোটি টাকার বিলসংক্রান্ত তার বক্তব্য এবং পুরোনো বৈদ্যুতিক মালামাল বেহাতের অভিযোগ স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। এসব অভিযোগের সত্যতা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুসন্ধান বা তদন্তে নির্ধারিত হবে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
ভিডিওতে টাকা নেওয়ার অভিযোগে লক্ষ্মীপুর বিদ্যুৎ বোর্ডের প্রকৌশলীকে ঘিরে প্রশ্ন
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।