বৈশ্বিক ক্রেতা ও বড় ব্র্যান্ডগুলোর চাহিদা পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানিকারকেরা কটননির্ভরতা কমিয়ে ম্যান-মেড ফাইবার বা কৃত্রিম তন্তুর পণ্যে ঝুঁকছেন। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জুলাই-আগস্টে নিটওয়্যার ও ওভেন মিলিয়ে মোট রপ্তানিতে কৃত্রিম তন্তুর পণ্যের অংশ দাঁড়িয়েছে ১৯.৭ শতাংশে, যা আগের অর্থবছরে ছিল ১৬.২ শতাংশ। একই সময়ে তুলাভিত্তিক পণ্যের অংশ ৭২.৫ শতাংশ থেকে নেমে ৬৯.৫ শতাংশ হয়েছে।
সুইজারল্যান্ডভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল টেক্সটাইল ম্যানুফ্যাকচারার্স ফেডারেশনের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বে উৎপাদিত পোশাকের ৭৮ শতাংশ কৃত্রিম তন্তুর এবং ২২ শতাংশ তুলার। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ প্রায় ৬০৩ কোটি ডলারের কৃত্রিম তন্তুর পোশাক রপ্তানি করে। চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে এ খাতে মাসিক গড় আয় প্রায় ৭০ কোটি ডলারে পৌঁছেছে, যা ৩৯ শতাংশ প্রবৃদ্ধি। তুলাভিত্তিক পণ্যের মাসিক গড় প্রবৃদ্ধি ছিল ১০ শতাংশ।
পরিবর্তনের প্রধান চালিকাশক্তি নিটওয়্যার খাত, যেখানে কৃত্রিম তন্তুর অংশ ১৫.৬ শতাংশ থেকে ২২ শতাংশে উঠেছে। জুলাই-আগস্টে কৃত্রিম তন্তুর নিটেড জার্সি ও পুলওভার রপ্তানি হয় প্রায় ৬১ কোটি ৪০ লাখ ডলারের। শিল্প প্রতিনিধিরা উৎপাদন ব্যয় কমাতে প্রণোদনা, বিদেশি বিনিয়োগ, এক অঙ্কের ব্যাংক ঋণসুদ এবং দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য চুক্তির ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন।
নিটওয়্যার খাতের নেতৃত্বে কৃত্রিম তন্তুর পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশে দ্রুত বৃদ্ধি
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।