বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে এনসিপি নেত্রী মনিরা শারমিনের প্রার্থিতা নিয়ে আইনি জটিলতা দেখা দিয়েছে। ২২ এপ্রিল মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিনে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র জমা দেন। কিন্তু মনিরা শারমিন মাত্র চার মাস আগে, ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে রাষ্ট্রায়ত্ত কৃষি ব্যাংক থেকে পদত্যাগ করায় তার প্রার্থিতা বাতিলের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের ১২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সরকারি চাকরি থেকে পদত্যাগের তিন বছর পূর্ণ না হলে কেউ সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারেন না।
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, এই নিয়ম সংরক্ষিত নারী আসনের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। যদি মনিরা শারমিনের প্রার্থিতা বাতিল হয়, তবে জামায়াত জোটের ১৩টি আসনের একটি উন্মুক্ত হয়ে যাবে এবং এতে বিএনপি জোটের আসনসংখ্যা ৩৬ থেকে বেড়ে ৩৭ হতে পারে। ফলে জামায়াত জোটের আসন কমে ১২টিতে নেমে আসবে।
জোটের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ বলেছেন, তারা বিশ্বাস করেন মনোনয়নপত্র বাতিল হবে না। মনিরা শারমিন দাবি করেছেন, কৃষি ব্যাংক একটি বিশেষায়িত ব্যাংক এবং তার পদ রাষ্ট্রের লাভজনক পদ ছিল না, তাই এই আইনি বাধ্যবাধকতা প্রযোজ্য নয়।
মনিরা শারমিনের প্রার্থিতা সরকারি চাকরি ছাড়ার সময়সীমা নিয়ে আইনি জটিলতায়
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।