২০২৬ সালের ১৮ এপ্রিল প্রকাশিত এক মতামত নিবন্ধে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এক শিফটের তুলনায় দুই শিফট প্রাথমিক বিদ্যালয় ব্যবস্থা বেশি উপযোগী। লেখক উল্লেখ করেছেন যে সীমিত অবকাঠামো, অতিরিক্ত ভিড় এবং সম্পদের অভাবের কারণে দেশের সব শিশুর জন্য মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা কঠিন। সকালে ও বিকেলে দুটি ভাগে ক্লাস নেওয়ার এই ব্যবস্থা বিদ্যমান অবকাঠামোর সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করে এবং নতুন ভবন নির্মাণের তাৎক্ষণিক প্রয়োজন কমায়।
নিবন্ধে বলা হয়েছে, দুই শিফট ব্যবস্থা শ্রেণিকক্ষের ভিড় কমায়, ভর্তি সুযোগ বাড়ায়, ব্যয় সাশ্রয় করে এবং শিক্ষার্থীদের জন্য সময়সূচিতে নমনীয়তা আনে। এটি প্রান্তিক ও কর্মজীবী শিশুদের বিদ্যালয়ে অংশগ্রহণ সহজ করে এবং শিক্ষকদের দক্ষ ব্যবহারের সুযোগ দেয়। পাশাপাশি, শহুরে এলাকায় জনসংখ্যার চাপ মোকাবিলায়ও এটি সহায়ক।
যদিও এটি স্থায়ী সমাধান নয়, নিবন্ধে দুই শিফট ব্যবস্থাকে একটি কার্যকর অন্তর্বর্তীকালীন কৌশল হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে, যা সরকারকে ধীরে ধীরে অবকাঠামো উন্নয়নের সুযোগ দেয় এবং বর্তমান সীমিত সম্পদের মধ্যেও কোনো শিশুকে শিক্ষার বাইরে রাখে না।
বাংলাদেশে শিক্ষার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দুই শিফট প্রাথমিক বিদ্যালয়কে কার্যকর সমাধান বলা হয়েছে
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।