ড. শাফিউল ইসলামের ৮ জুলাই ২০২৬ প্রকাশিত বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে অস্থিরতা বাড়ছে ইন্টার্ন, ট্রেইনি ও এফসিপিএস প্রশিক্ষণার্থীদের অসন্তোষের কারণে। প্রস্তাবিত নীতিমালা, কর্মপরিবেশ, নিরাপত্তাহীনতা ও পেশাগত অনিশ্চয়তা এই অসন্তোষের মূল কারণ। লেখক মনে করেন, চিকিৎসা শিক্ষার মানই স্বাস্থ্যব্যবস্থার ভিত্তি, আর বর্তমান দুর্বলতা জনস্বাস্থ্যের জন্য সরাসরি ঝুঁকি তৈরি করছে।
তিনি উল্লেখ করেন, স্বাধীনতার পর মেডিকেল কলেজের সংখ্যা বাড়লেও শিক্ষার মান উন্নয়ন হয়নি। অবকাঠামোগত দুর্বলতা, শিক্ষকসংকট, গবেষণার সীমাবদ্ধতা, রাজনৈতিক প্রভাব ও কার্যকর অ্যাক্রিডিটেশন ব্যবস্থার অভাব পরিস্থিতিকে জটিল করেছে। অনেক কলেজে অনিরাপদ ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে শিক্ষা চলছে, যেখানে আধুনিক ল্যাব ও প্রযুক্তিনির্ভর প্রশিক্ষণের ঘাটতি রয়েছে।
ড. ইসলাম বলেন, এখন প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদি সংস্কার পরিকল্পনা, যাতে অবকাঠামো উন্নয়ন, শিক্ষক প্রশিক্ষণ, গবেষণা বিনিয়োগ ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন অ্যাক্রিডিটেশন অন্তর্ভুক্ত থাকে। তিনি সংলাপ, জবাবদিহি ও রাজনীতিমুক্ত নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার ওপর জোর দেন, যাতে বাংলাদেশ দক্ষ চিকিৎসক ও শক্তিশালী স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে পারে।
বাংলাদেশে চিকিৎসা শিক্ষায় মানোন্নয়নে অ্যাক্রিডিটেশন ও অবকাঠামো সংস্কারের আহ্বান
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।