ঢাকার ধামরাই পৌর এলাকার ডুলিভিটা বাসস্ট্যান্ডে সড়ক ও জনপথ বিভাগের জমি ও ফুটপাত উচ্ছেদের পর আবারও ভাসমান দোকান বসেছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। গত ৬ জুন উচ্ছেদ অভিযান চলাকালে হকারদের হামলায় বুলডোজারচালক মনির হোসেন ও তাঁর সহকারী আব্বাস হোসেন রক্তাক্ত হন এবং আরও চারজন আহত হন। পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রশাসন অভিযান স্থগিত করে আহতদের হাসপাতালে পাঠায়।
দুই দিন পর তৎকালীন সহকারী কমিশনার (ভূমি) রিদওয়ান আহমেদ রাফি ও সওজের নয়ারহাট শাখার উপবিভাগীয় প্রকৌশলী নূরে আলম সিদ্দিকীর নেতৃত্বে পুনরায় অভিযান চালিয়ে প্রায় শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। স্থানীয় সূত্রের ভাষ্য, ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের ঢুলিভিটা অংশে সওজের জায়গা পৌরসভা ইজারা দিচ্ছে। ইজারাদার হাবিবুর রহমান বলেন, তিনি পৌরসভার দরপত্রে ইজারা নিয়ে খাজনা আদায় করছেন।
সওজ কর্মকর্তা নূরে আলম সিদ্দিকী বলেন, সুনির্দিষ্ট বাজেট না থাকায় উচ্ছেদের পর জমি সংরক্ষণ করা যাচ্ছে না। তিনি দাবি করেন, সওজের জমি ইজারা দেওয়ার পৌরসভার কোনো এখতিয়ার নেই এবং এ বিষয়ে আগেই চিঠি পাঠানো হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আল মামুন স্থানীয় এমপি ও মালিক সমিতির সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত পদক্ষেপের কথা জানান।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।