Web Analytics

চট্টগ্রামের বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতে বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের সাবেক সহকারী ব্যবস্থাপক সৈয়দ সালাহউদ্দিন আহমেদের বিরুদ্ধে ঘুসের মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে। ২০০৮ সালের ১২ নভেম্বর চট্টগ্রামের আগ্রাবাদে ৬ হাজার টাকা ঘুস নেওয়ার সময় তাকে আটকের অভিযোগ রয়েছে। বিচারক মিজানুর রহমান গত ৪ অক্টোবর সাক্ষ্যগ্রহণ সমাপ্ত ঘোষণা করেন; ২০১০ সালে বিচার শুরু হওয়ার পর এতে ১৬ বছরের বেশি সময় লাগে।

আদালত সূত্র অনুযায়ী, কোম্পানিটির বিক্রয় শাখার তৎকালীন সহকারী ব্যবস্থাপক আহমেদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন অভিযান চালায়। মামলার এজাহারে বলা হয়, ৪৮টি আবাসিক গ্যাস সংযোগের টেস্ট রিপোর্ট বা কাজ সমাপ্তির প্রতিবেদন দেওয়ার বিনিময়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স তাইবা এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী আওরঙ্গজেব বাবুলের কাছে তিনি ঘুস দাবি ও গ্রহণ করেন। সরকারি দায়িত্বে ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে দণ্ডবিধি ও দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনে মামলা হয়।

তদন্ত কর্মকর্তা ২০০৯ সালের ২৭ মে অভিযোগপত্র দেন এবং ২০১০ সালের ২৩ মে আদালত অভিযোগ গঠন করে। ২০ জন সাক্ষীর মধ্যে দীর্ঘ বিরতি ও জটিলতায় ১৪ জনের সাক্ষ্য নেওয়া সম্ভব হয়েছে। রোববার ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারায় আসামির পরীক্ষা হয়নি। দুদকের পিপি জাহিদুল করিম জানান, বৃহস্পতিবার যুক্তিতর্কের দিন নির্ধারিত হয়েছে; এরপর মামলাটি রায় ঘোষণার পর্যায়ে যাবে বলে তিনি আশা করছেন।

Card image

Related Memes

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।