কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাত নিয়ে বিনিয়োগকারীদের উদ্বেগে বিশ্বজুড়ে শেয়ারবাজারে বড় ধস নেমেছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার এক দিনেই যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজার থেকে ৩.২ ট্রিলিয়ন ডলার উধাও হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের জয়ের পর এআই খাতে নিয়ন্ত্রণ বাড়তে পারে এবং ডেটা সেন্টার নির্মাণের গতি কমতে পারে—এমন আশঙ্কায় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার বিক্রির চাপ বেড়েছে।
এর প্রভাব শুক্রবার এশিয়ার বাজারেও পড়ে। লেনদেন শুরুর পর দক্ষিণ কোরিয়ার কোস্পি প্রায় ৯ শতাংশ পড়ে গেলে ২০ মিনিটের জন্য লেনদেন বন্ধ রাখা হয়। জাপানের নিক্কিই সূচক ৬ শতাংশের নিচে নেমেছিল। বৃহস্পতিবার প্রযুক্তিনির্ভর নাসডাক ৫.৫২ শতাংশ কমে সংশোধন পর্যায়ে যায় এবং ৬ অক্টোবরের রেকর্ড উচ্চতা থেকে ১০ শতাংশের বেশি নিচে নামে। এসঅ্যান্ডপি ৫০০ ও ডাও জোনসও একই সময়ে বড় দরপতনের মুখে পড়ে।
সিএমসি মার্কেটসের ক্রিস্টোফার ফোর্বস পরিস্থিতিকে বিপর্যয়কর বলেছেন এবং গ্রাহকদের মার্জিন কল ও অভিযোগের কথা উল্লেখ করেছেন। কর্তৃপক্ষের পদক্ষেপে দিনের শেষভাগে এশিয়ার কিছু সূচক ঘুরে দাঁড়ায়। দক্ষিণ কোরিয়ার অর্থমন্ত্রী লি হিয়ং-ইল ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের ঋণনির্ভর বিনিয়োগের কিছু নিয়ম সাময়িক শিথিল করেন। শুক্রবার ব্রেন্ট তেলের দাম প্রায় ১.৪ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের কাছাকাছি পৌঁছায়, আর স্বর্ণের দাম কমে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।