৯ জুন ওমান উপসাগরে মার্কিন হামলায় তিন ভারতীয় নাবিক নিহত হওয়ার ঘটনায় ১২ জুন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওকে ফোন করে তীব্র প্রতিবাদ জানান। নিহতরা পালাউয়ের পতাকাধারী ‘সেত্তেবেলো’ নামের ট্যাংকারে ছিলেন, যা যুক্তরাষ্ট্রের দাবি অনুযায়ী ইরান-সংশ্লিষ্ট জাহাজের ওপর জারি করা অবরোধ অমান্য করেছিল। রুবিও কোনো দুঃখপ্রকাশ বা আশ্বাস না দেওয়ায় দুই দেশের সম্পর্কের ভেতরের টানাপোড়েন স্পষ্ট হয়ে ওঠে, যদিও বাইরে থেকে সম্পর্ককে স্থিতিশীল দেখানোর চেষ্টা চলছে।
ইরান যুদ্ধ ভারতের অর্থনীতি ও রাজনীতিতে বড় আঘাত হেনেছে। অপরিশোধিত তেলের দাম বৃদ্ধি, মুদ্রাস্ফীতি, রেমিট্যান্স হ্রাস ও পুঁজিপলায়নে রুপি দুর্বল হয়ে পড়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নাগরিকদের নিরাপত্তা রক্ষা করতে না পারায় এবং যুক্তরাষ্ট্রের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতার কারণে রাজনৈতিকভাবে চাপে পড়েছেন। একই সঙ্গে পাকিস্তান যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়ে ভারতের কূটনৈতিক অবস্থান দুর্বল করেছে।
যদিও প্রতিরক্ষা ও প্রযুক্তি সহযোগিতা অব্যাহত আছে, পারস্পরিক বিশ্বাসের ঘাটতি বাড়ছে। যুক্তরাষ্ট্রের সংরক্ষণবাদী নীতি ও ভারতের চীনের প্রতি নরম অবস্থান আঞ্চলিক ভারসাম্যে পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।