মক্কা চুক্তির কাঠামোয় সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের সেনাপ্রধানদের বৈঠকের পর হুথি হুমকির বিরুদ্ধে সম্মিলিত জবাবের ইঙ্গিত পাওয়া গেছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। সৌদি আরব জানিয়েছে, হুথিরা তাদের রাজধানী লক্ষ্য করে একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে। প্রতিবেদনে ঘটনাটিকে দীর্ঘদিনের সংঘাতের তীব্রতা বৃদ্ধি এবং এর আঞ্চলিক নিরাপত্তাগত প্রভাব বিস্তারের ইঙ্গিত হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।
হুথিরা সরকারি খাতের কর্মীদের বেতন, ইয়েমেনের তেল-গ্যাস আয়ের নির্দিষ্ট অংশ এবং তাদের বন্দরগুলোর ওপর থেকে সব বিধিনিষেধ প্রত্যাহারসহ একটি বিস্তৃত চুক্তি চাইছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তারা জিজান ও ইয়ানবুতে সৌদি আরামকোর স্থাপনা এবং লোহিত সাগরে তেল পরিবহনের বিকল্প ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইনকে লক্ষ্যবস্তু করেছে। ড্রোন ঠেকাতে সৌদি আরব বিপুল ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করছে এবং মিত্রদের কাছে উন্নত আকাশ প্রতিরক্ষা সহায়তা চেয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, সানায় সৌদি স্থল অভিযানের সম্ভাবনা কম; বরং আন্তর্জাতিক গোয়েন্দা ও লজিস্টিক সহায়তায় সীমিত ও নির্দিষ্ট বিমান হামলা বেশি সম্ভাব্য। ইয়েমেন ও লোহিত সাগরে স্থায়ী শান্তি যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের বৃহত্তর আলোচনার সঙ্গে জড়িত বলেও এতে উল্লেখ করা হয়েছে; কাতার ও পাকিস্তানকে মধ্যস্থতাকারী বলা হয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।