প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে উপাচার্য, প্রশাসনিক পদ ও শিক্ষক নিয়োগে মেধার চেয়ে রাজনৈতিক বিবেচনাকে গুরুত্ব দেওয়ার অভিযোগ বাড়ছে। এতে শিক্ষকদের পেশাদারিত্ব, পাঠদান, পরীক্ষা এবং সামগ্রিক শিক্ষা কার্যক্রম ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৫৬ দিনের মাথায় উপাচার্য পরিবর্তনের পর ক্যাম্পাস শাটডাউনসহ শিক্ষার্থীদের আন্দোলন চলমান রয়েছে। কার্যকর মূল্যায়নব্যবস্থার অভাবে রাজনৈতিক প্রভাব বা অনিয়মের অভিযোগে নিয়োগ পাওয়া মানহীন শিক্ষকরা জবাবদিহির বাইরে থেকে যাচ্ছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।
শিক্ষাবিদ ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন মেধাভিত্তিক নিয়োগ এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উদ্যোগে শিক্ষক মূল্যায়ন পদ্ধতি চালুর ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। ইউজিসির সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক এসএমএ ফায়েজ বলেন, শিক্ষকদের রাজনৈতিক মত থাকতে পারে, তবে তার প্রভাব শিক্ষার্থীদের ওপর পড়া উচিত নয়। তিনি বলেন, মূল্যায়নের উদ্দেশ্য শিক্ষকদের লক্ষ্যবস্তু করা নয়, বরং শিক্ষার মান উন্নয়ন; ছাত্র সংসদের বদলে প্রশাসন ও সংশ্লিষ্টদের আলোচনায় পদ্ধতিটি চালু হওয়া উচিত।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জানিয়েছে, একাডেমিক কাউন্সিল অনুমোদিত শিক্ষক মূল্যায়ন ব্যবস্থা ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের দিয়ে শুরু হবে। ২০০৯ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত নিয়োগও পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঢাবি। জাহাঙ্গীরনগরে মূল্যায়ন প্রস্তাব নিয়ে কমিটি গঠিত হয়েছে, আর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে সীমিত পরিসরে মূল্যায়ন চালু আছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।