বাংলাদেশের জাতীয় স্বাধীন তদন্ত কমিশনের প্রকাশিত নতুন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০০৯ সালের বিডিআর বিদ্রোহে পিলখানায় সেনা কর্মকর্তাদের হত্যাকাণ্ড সময়মতো র্যাব ব্যবস্থা নিলে এড়ানো সম্ভব ছিল। ৩০ নভেম্বর প্রধান উপদেষ্টার কাছে জমা দেওয়া প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, র্যাবের অগ্রবর্তী ইউনিটগুলো প্রস্তুত থাকলেও তাদের পিলখানায় প্রবেশ বা গুলি চালানোর অনুমতি দেওয়া হয়নি।
প্রতিবেদনে বলা হয়, তৎকালীন র্যাব মহাপরিচালক হাসান মাহমুদ খন্দকার ও এডিজি মেজর জেনারেল রেজানুর খান অনুমতি আটকে রাখেন, যদিও রেজানুর পরে দায় চাপান মেজর জেনারেল তারেক সিদ্দিক ও জয়নুল আবেদীনের ওপর। কমিশন আরও জানায়, পুলিশ ও র্যাব কর্মকর্তারা নিষ্ক্রিয় থেকে বিদ্রোহীদের পালাতে সহায়তা করেন এবং ভুক্তভোগীদের সুরক্ষা দিতে ব্যর্থ হন।
এই প্রতিবেদন প্রকাশের পর ঘটনাটির দায়বদ্ধতা ও তৎকালীন সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ভূমিকা নিয়ে নতুন তদন্ত ও আইনি পদক্ষেপের দাবি জোরালো হতে পারে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।