কোটা সংস্কার আন্দোলনের সমন্বয়কদের মুক্তিসহ নতুন তিন দফা দাবিতে ২০২৪ সালের ২৭ জুলাই দেওয়া ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটামের মধ্যে ২৮ জুলাই রাতে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ ছয় কেন্দ্রীয় সমন্বয়কের ভিডিওবার্তা প্রকাশ করে। ভিডিওতে নাহিদ ইসলামকে আন্দোলন প্রত্যাহার এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার অনুরোধসংবলিত লিখিত বক্তব্য পড়তে দেখা যায়। এতে নাহিদ, সারজিস আলম, হাসনাত আবদুল্লাহ, আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া, আবু বাকের মজুমদার ও নুসরাত তাবাসসুমের স্বাক্ষর ছিল।
সমন্বয়করা অভিযোগ করেন, জিম্মি করে নির্যাতনের মুখে তাদের এ বক্তব্য দিতে বাধ্য করা হয়েছে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক আব্দুল কাদেরের পাঠানো বার্তায় ২৯ জুলাই সারা দেশে ছাত্র-জনতার বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশ ঘোষণা করা হয়। ডিবি বলেছিল, নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সমন্বয়কদের কার্যালয়ে আনা হয়েছে; তবে পরিবারের সদস্যদের কয়েকজন তাদের সঙ্গে দেখা করতে পারেননি।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা সমাবেশ ও বিক্ষোভ করে আরিফ সোহেলের মুক্তি দাবি করেন। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও ঢাকার কলেজের শিক্ষার্থীরাও রাজপথে ফেরার ঘোষণা দেন। ২৮ জুলাই দেশজুড়ে গ্রাফিতি, দেয়াল লিখন এবং গণসংযোগ কর্মসূচি পালিত হয়। মোবাইল ইন্টারনেট ১০ দিন পর চালু হলেও ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ ও টিকটকসহ কয়েকটি সেবা বন্ধ ছিল।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।