বাংলাদেশ ব্যাংক দুর্বল ব্যাংকগুলোকে টিকিয়ে রাখতে টাকা ছাপিয়ে দেওয়া তারল্য সহায়তা বাড়িয়েছে; ১৩ আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত এ ঋণের পরিমাণ ৮৫ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। গত তিন মাসে কেন্দ্রীয় ব্যাংক নতুন করে প্রায় ১৭ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে। এই অর্থ ১৩টি ব্যাংকের চরম তারল্য সংকট মোকাবিলায় দেওয়া হলেও তারা দীর্ঘদিনেও বড় অঙ্কের ধার পরিশোধ করতে পারেনি।
সূত্র অনুযায়ী, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে এক ডজনের বেশি ব্যাংকে ব্যাপক লুটপাটের ফলে প্রতিষ্ঠানগুলো আর্থিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়ে এবং অনেক ক্ষেত্রে গ্রাহকের আমানত ফেরত দিতে পারেনি। ২০২২ সালের শেষ দিকে কয়েকটি শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংকের চলতি হিসাব ঋণাত্মক রেখে লেনদেনের সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। পরে এ সুবিধা বন্ধ হলে গ্রাহকদের অর্থ ফেরত দিতে ব্যাংকগুলো হিমশিম খায় এবং শাখাগুলোতে অস্থিতিশীলতা দেখা দেয়।
সবচেয়ে বেশি ১৭ হাজার কোটি টাকা ধার পেয়েছে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ। ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক পেয়েছে ১৫ হাজার ৮১০ কোটি এবং এক্সিম ব্যাংক ১২ হাজার ১০ কোটি টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, এভাবে সহায়তা দেওয়া ঠিক হবে না, তবে আমানতকারীরা অর্থ না পেলে ব্যাংক খাতে আস্থাহীনতা ও আরও গভীর সংকটের আশঙ্কায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাধ্য হচ্ছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।