বাজারে নিষিদ্ধ পলিথিনের ব্যবহার ফের বাড়তে থাকায় বাংলাদেশে এর উৎপাদন, পরিবহন, বিপণন ও ব্যবহার বন্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান এবং কঠোর আইনি ব্যবস্থা জোরদার করা হচ্ছে। পরিবেশ অধিদপ্তর জানিয়েছে, অবৈধ উৎপাদনকারী কারখানা বন্ধ এবং কাঁচাবাজারে পলিথিনের ব্যবহার শূন্যে নামাতে নিয়মিত নজরদারি চলছে। প্লাস্টিক বর্জ্য দূষণ রোধে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থাগুলোকে দায়িত্ব পালনের নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।
কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, রাজধানীসহ বিভিন্ন হাটবাজারের মুদি দোকান, কাঁচাবাজার, মাছের আড়ত ও ফলের দোকানে নিষিদ্ধ পলিথিনের ব্যবহার বেড়েছে। এক সবজি বিক্রেতা বিকল্প ব্যাগ না থাকার কথা বলেছেন, আর এক ক্রেতা কম দাম ও ব্যবহারের সুবিধার কথা উল্লেখ করেছেন। পরিবেশ সুরক্ষায় ২০০২ সালের ১ মার্চ থেকে আইন করে দেশে পলিথিনের উৎপাদন, বিপণন ও বাজারজাতকরণ নিষিদ্ধ করা হয়।
প্লাস্টিক বর্জ্যে বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিনের প্রবালপ্রাচীরও ঝুঁকিতে পড়েছে। সেখানে পর্যটন নিয়ন্ত্রণ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে সরকার। পলিথিন বহন এবং বিভিন্ন একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক পণ্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে; পুনর্ব্যবহারযোগ্য ফ্লাস্ক ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পরিবেশবিদ ও স্থানীয়দের ধারণা, সমুদ্রস্রোত ও বাতাসে প্রতিবেশী দেশের উপকূল থেকেও বর্জ্য দ্বীপে আসছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।