গাজা যুদ্ধকে কেন্দ্র করে ইসরাইল প্রায় ১ হাজার ৭০০ ফিলিস্তিনির লাশ আটকে রেখেছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যাদের অধিকাংশ গাজার বাসিন্দা। ভবিষ্যতে বন্দি বা জিম্মি বিনিময়ের আলোচনায় এসব মরদেহ ব্যবহারের জন্য রাখা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। ফিলিস্তিনি সংগঠন ন্যাশনাল ক্যাম্পেইন ফর দ্য রিট্রিভাল অব মার্টার্স বডিজ অ্যান্ড ডিসক্লোজার অব দ্য ফেট অব দ্য মিসিং ইসরাইলের কাছে আটক ৭৯৯ জনের নাম নথিভুক্ত করেছে। তাদের মধ্যে ৮১ শিশু ও ১০ নারী রয়েছেন।
সংগঠনটির তথ্য অনুযায়ী, নথিভুক্তদের মধ্যে ২৫৬ জনকে সামরিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে, যা ফিলিস্তিনিদের কাছে ‘নম্বরের কবর’ নামে পরিচিত। সেখানে মরদেহের নামের বদলে কবরে নম্বর দেওয়া হয় এবং পরিচয়সংক্রান্ত তথ্য আলাদা নথিতে রাখা হয়। সামরিক নিয়ন্ত্রিত এলাকায় এসব কবরস্থান থাকায় পরিবারের সদস্যরা সেখানে যেতে পারেন না। ফলে বহু পরিবার স্বজনের কবরের অবস্থান বা মৃত্যুর প্রকৃত তথ্য জানতে পারে না।
২০১৫ সালের পর এ নীতি আরও বিস্তৃত হয়; ২০১৭ সালে ইসরাইলের নিরাপত্তা মন্ত্রিসভা কিছু মরদেহ আটকে রাখার অনুমোদন দেয় এবং ২০১৯ সালে সুপ্রিম কোর্ট নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে তা অনুমোদন করে। ২০২৬ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত গাজায় ৯৩০টি মরদেহ ও দেহাবশেষভর্তি ৬৬টি বাক্স ফেরত দেওয়া হলেও ডিএনএ সরঞ্জামের অভাবে পরিচয় শনাক্ত কঠিন। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলছে, প্রায় ৭ হাজার ৪০০ মরদেহ এখনো ধ্বংসস্তূপের নিচে রয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।