বোরো মৌসুমের শুরুতেই বাংলাদেশে সারের সংকট দেখা দিয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় কৃষকেরা চাহিদা অনুযায়ী সার না পাওয়ার অভিযোগ করছেন এবং ডিলারের কাছে গিয়ে খালি হাতে ফিরছেন। সার বিতরণে অনিয়ম, বেশি দামে বিক্রি ও গুদামে হামলার অভিযোগও উঠেছে। লালমনিরহাট, গাইবান্ধা ও চাঁপাইনবাবগঞ্জসহ কয়েকটি জেলায় সংকট প্রকট বলে জানা গেছে। হাতীবান্ধায় প্রয়োজনীয় সার না পাওয়ার অভিযোগে কৃষকেরা লালমনিরহাট-বুড়িমারী মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন।
সংকট মোকাবিলায় কৃষি মন্ত্রণালয় নভেম্বরে দেওয়ার বরাদ্দ অক্টোবরে ছাড় করে এবং চলতি মাসে অতিরিক্ত বরাদ্দ দেয়। তবে সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, অতিরিক্ত বরাদ্দ চাহিদার তুলনায় কম এবং সব জেলায় দেওয়া হয়নি। ৬৪ জেলার মধ্যে ৩৫ জেলায় মোট ৭৯ হাজার ৪০০ টন অতিরিক্ত সার বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে; ২৯ জেলা এ সুবিধা পায়নি। মন্ত্রণালয় পর্যাপ্ত মজুতের দাবি করেছে এবং সৌদি আরব, রাশিয়া, মরক্কো ও কানাডা থেকে সার আমদানির কথা জানিয়েছে।
কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেন, বিতরণে অনিয়ম পেলে ডিলারশিপ বাতিল করা হবে এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মিরসরাইয়ে মিয়ানমারে পাচারের সময় ৩০১ বস্তা ইউরিয়া সার জব্দ করে পুলিশ আটজনকে গ্রেপ্তার করেছে। কিছু কর্মকর্তা ও ডিলার সংকটের অভিযোগ অস্বীকার করলেও কৃষকেরা দীর্ঘ লাইন ও চাষাবাদ ব্যাহত হওয়ার কথা বলেছেন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।