ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আর মাত্র নয় দিন বাকি। এ সময় চট্টগ্রামে ফ্যাসিবাদবিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো নির্বাচনি প্রচারে সরব হলেও গত বছরের গণঅভ্যুত্থানের নেতৃত্ব দেওয়া জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) কার্যত মাঠে নেই। ১১ দলীয় জোটের অংশ হিসেবে চট্টগ্রাম-৮ আসনে প্রার্থী পেলেও জামায়াতের প্রার্থী প্রার্থিতা প্রত্যাহার না করায় এনসিপির প্রার্থী জোবাইরুল হাসান আরিফ প্রচারে সুবিধা পাচ্ছেন না। এতে দলের কর্মী-সমর্থকদের উপস্থিতিও কম দেখা যাচ্ছে।
এনসিপির সাংগঠনিক কার্যক্রম বর্তমানে দুর্বল হয়ে পড়েছে। অভ্যন্তরীণ কোন্দল, নেতৃত্ব নিয়ে বিতর্ক, চাঁদাবাজি ও অনিয়মের অভিযোগে দলটি সমালোচনার মুখে। আন্দোলনের সময় নেতৃত্ব দেওয়া অনেক ছাত্রনেতা নিজ নিজ সংগঠনে ফিরে গেছেন বা রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। আগে নয়টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করলেও এখন কেবল একটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে দলটি। দলীয় নেতারা বলছেন, সংগঠন শক্তিশালী করতে অনেকেই চট্টগ্রামের বাইরে কাজ করছেন।
চট্টগ্রামের রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এনসিপির এই নীরবতা হতাশাজনক এবং নির্বাচনে অংশগ্রহণে অনীহা ভবিষ্যতে স্থানীয় রাজনীতিতে তাদের জন্য নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।