আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম বলেছেন, ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতে কোন স্ট্যাটাসে অবস্থান করছেন তা বাংলাদেশ জানে না। ১৭ আগস্ট ২০২৬ সকালে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, আইনি লড়াইয়ের মাধ্যমে তাকে দেশে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, শেখ হাসিনা বিচার প্রক্রিয়ায় দণ্ডপ্রাপ্ত এবং তাকে ফিরিয়ে আনতে বাংলাদেশ সরকার ইতোমধ্যে ভারতের কাছে প্রত্যর্পণের আবেদন করেছে।
আমিনুল ইসলাম বলেন, আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরাতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ভারতের একটি সংবাদমাধ্যমে তাকে নিয়ে আদালতের অনুমতির প্রয়োজন হতে পারে বলে প্রকাশিত খবরের বিষয়ে তিনি মন্তব্য করতে সতর্কতা জানান। তিনি বলেন, ওই সংবাদমাধ্যম শেখ হাসিনা রাজনৈতিক আশ্রয়ে আছেন কি না কিংবা কী স্ট্যাটাসে ভারতে আছেন, সে বিষয়ে বিস্তারিত উল্লেখ করেনি।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনাকে বহনকারী বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর একটি বিমান দিল্লির কাছে গাজিয়াবাদের হিন্ডন বিমানঘাঁটিতে অবতরণ করে। সেদিন সন্ধ্যায় ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল শেখ হাসিনা ও তার বোন শেখ রেহানাকে স্বাগত জানান। পরদিন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর পার্লামেন্টে বলেন, শেখ হাসিনা সাময়িকভাবে ভারতে আসার অনুমতি চেয়েছিলেন এবং অনুমোদনের পর সেখানে যান। ভারত সরকার তার সুনির্দিষ্ট ইমিগ্রেশন স্ট্যাটাস নিয়ে নীরব রয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।