আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে ভারত থেকে অবৈধভাবে পশু প্রবেশ ঠেকাতে সীমান্তজুড়ে নজরদারি বাড়িয়েছে বাংলাদেশ সরকার। সীমান্তবর্তী এলাকায় পশুর হাট বন্ধ রাখার পাশাপাশি কোরবানির পশু আমদানি না করার নীতিগত সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে। সরকারি হিসাবে দেশে কোরবানিযোগ্য পশুর উদ্বৃত্ত রয়েছে, তবে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগে ঘাটতি দেখা দিয়েছে।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, এবার দেশে কোরবানির জন্য প্রস্তুত পশুর সংখ্যা এক কোটি ২৩ লাখের বেশি, যেখানে চাহিদা ধরা হয়েছে এক কোটি এক লাখের কিছু বেশি। সরকার বলছে, দেশি খামারিদের স্বার্থ রক্ষায় সীমান্তে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, কারণ অতীতে ভারতীয় পশুর প্রবেশে দাম পড়ে গিয়েছিল। হাওরাঞ্চলে কিছু খামারি গোখাদ্যের সংকটে সস্তায় পশু বিক্রি করছেন বলে জানা গেলেও মন্ত্রণালয় তা অস্বীকার করেছে।
প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ জানান, দেশি খামারিদের সুরক্ষায় সীমান্ত হাট বন্ধ রাখা হয়েছে এবং অনলাইনে বিনা খাজনায় পশু বিক্রির সুযোগ রাখা হয়েছে। পাশাপাশি কোরবানির চামড়া সংরক্ষণে কসাইদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।