ইয়েনের দ্রুত দরপতন ঠেকাতে জাপান ৩০ জুলাই থেকে ২৬ আগস্ট পর্যন্ত বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে হস্তক্ষেপে রেকর্ড ১৫.৩৯৯৩ ট্রিলিয়ন ইয়েন, প্রায় ৯৬ বিলিয়ন ডলার, ব্যয় করেছে। শুক্রবার প্রকাশিত সরকারি তথ্যে এ তথ্য জানানো হয়। এই ব্যয় এপ্রিল ও মে মাসে তিন দফা হস্তক্ষেপে করা আগের মাসিক রেকর্ড ৭৩.৪ বিলিয়ন ডলারকেও ছাড়িয়েছে।
২৩ জুলাই ডলারের দর ১৬৩.৯৯ ইয়েনে ওঠে, যা প্রায় চার দশকে ইয়েনের বিপরীতে ডলারের সর্বোচ্চ দর ছিল। এরপর ৩০ জুলাই জাপানি কর্তৃপক্ষ বাজারে হস্তক্ষেপ শুরু করে। ৩১ জুলাই নিউইয়র্কের লেনদেন চলাকালে জাপান ও যুক্তরাষ্ট্র যৌথভাবে মুদ্রাবাজারে হস্তক্ষেপ করে, যা ১৫ বছরের মধ্যে দুই দেশের প্রথম সমন্বিত পদক্ষেপ।
যৌথ পদক্ষেপের পর ডলারের দর সাময়িকভাবে ১৫৫ ইয়েনের নিচে নেমেছিল, তবে পরে আবার শক্তিশালী হয়ে প্রায় ১৫৯ ইয়েনে লেনদেন হচ্ছে। জাপানের আর্থিক অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ, বিস্তারিত অর্থায়ন পরিকল্পনা ছাড়া সম্প্রসারণমূলক ব্যয়নীতি এবং ইরান যুদ্ধের অনিশ্চয়তায় ডলারের নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে চাহিদা বাড়ায় ইয়েনের ওপর চাপ রয়েছে। দুর্বল ইয়েন জ্বালানি, খাদ্য ও কাঁচামাল আমদানির ব্যয় বাড়াচ্ছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।