ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি নির্দেশ দিয়েছেন, দেশের উচ্চমাত্রার সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম কোনোভাবেই বিদেশে পাঠানো যাবে না। যুক্তরাষ্ট্রের শান্তি আলোচনার অন্যতম শর্ত হিসেবে ইউরেনিয়াম অপসারণের দাবির বিপরীতে তিনি এই কঠোর অবস্থান নিয়েছেন। রয়টার্সকে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ইরানের দুটি উচ্চ পর্যায়ের সূত্র এই নির্দেশের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
রিপোর্টে বলা হয়েছে, এই সিদ্ধান্ত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ক্ষুব্ধ করতে পারে এবং যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ বন্ধের প্রক্রিয়াকে অনিশ্চিত করে তুলতে পারে। ইসরায়েলি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ট্রাম্প আগে আশ্বস্ত করেছিলেন যে ইরানের ইউরেনিয়াম মজুদ দেশটি থেকে সরিয়ে নেওয়া হবে এবং এটি যেকোনো শান্তি চুক্তির বাধ্যতামূলক ধারা হবে। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, ইউরেনিয়াম অপসারণ, প্রক্সি মিলিশিয়াদের সমর্থন বন্ধ এবং ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ধ্বংস না হওয়া পর্যন্ত তিনি যুদ্ধের সমাপ্তি মানবেন না।
ইরানি কর্মকর্তাদের মতে, ইউরেনিয়াম বিদেশে পাঠালে দেশটি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য হামলার মুখে আরও দুর্বল হয়ে পড়বে। হোয়াইট হাউস ও ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য করেনি।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।