২০২৬ সালের ৫ জুন প্রকাশিত বাংলাদেশের দৈনিক *আমার দেশ*-এর এক মতামতধর্মী প্রবন্ধে লেখক যুদ্ধকালীন ধ্বংসযজ্ঞের সঙ্গে বর্তমান সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ওপর হামলার তুলনা টেনেছেন। এতে বলা হয়েছে, ইসরাইলি বাহিনী ইরানের শরিফ ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি ও অন্যান্য উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে হামলা চালিয়ে দেশটির জ্ঞানচর্চার ধারাবাহিকতাকে ধ্বংস করছে। কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক হামিদ দাবাশির বিশ্লেষণ উদ্ধৃত করে প্রবন্ধে বলা হয়েছে, এসব হামলা কেবল সামরিক নয়, বরং জ্ঞানব্যবস্থাকে ধ্বংস করার পরিকল্পিত প্রচেষ্টা—যাকে তিনি ‘এপিস্টেমিসাইড’ বা জ্ঞাননিধন হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
প্রবন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ফিলিস্তিনপন্থি শিক্ষার্থীদের দমন, পুলিশি অভিযান ও প্রশাসনিক চাপের ঘটনাগুলোকেও একই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে দেখা হয়েছে। লেখকের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে বোমা ও আমেরিকায় নীরবতা—দুই ক্ষেত্রেই লক্ষ্য এক, বিকল্প চিন্তা ও প্রশ্ন করার স্বাধীনতাকে দুর্বল করা।
লেখাটি সতর্ক করেছে যে বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপর হামলা ও বাকরোধের এই স্বাভাবিকীকরণ মানবিক ও নৈতিক অবক্ষয়ের ইঙ্গিত বহন করছে। শেষাংশে বলা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয় আজ মানবসভ্যতার ভবিষ্যৎ রক্ষার প্রতীক, আর সেটি ধ্বংস মানে জ্ঞানের পরাজয়।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।