স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের প্রস্তুতির মধ্যে রপ্তানি বাজার ধরে রাখা, নতুন বাজারে প্রবেশ এবং বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে তৎপরতা বাড়িয়েছে বাংলাদেশের ব্যবসায়ী সংগঠনগুলো। সাম্প্রতিক উদ্যোগের মধ্যে রয়েছে ২৮ অক্টোবর হংকংয়ে বাংলাদেশ অ্যাপারেল রোডশো, ১৮-১৯ নভেম্বর ঢাকায় বাটেক্সপো ২০২৬, বিজিএমইএর জাপান ডেস্ক চালু এবং ৩৯ সদস্যের ডিসিসিআই প্রতিনিধিদলের মালয়েশিয়া সফর।
ইপিবির তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে পণ্য রপ্তানি প্রায় ৪৮ বিলিয়ন ডলার ছিল। বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে রপ্তানি আয় ৪৮.৩৮ বিলিয়ন ডলার, যা আগের অর্থবছরের তুলনায় মাত্র ০.১৭ শতাংশ বেশি। তৈরি পোশাকের ওপর নির্ভরতা অব্যাহত থাকলেও সংশ্লিষ্টরা পণ্যে বৈচিত্র্য, ভ্যালু অ্যাডিশন ও উচ্চমূল্যের পোশাক রপ্তানি বাড়াতে চান। বিজিএমইএ বলছে, বর্তমানে ৩৭টি দেশে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি হচ্ছে।
আগস্টে বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়া সেপা নিয়ে নীতিগত সমঝোতায় পৌঁছেছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় অন্তত ১৫টি দেশ ও বাণিজ্য জোটের সঙ্গে চুক্তি বা বাজার-সুবিধা নিয়ে আলোচনা করছে এবং আরসিইপিতে যুক্ত হওয়ার উদ্যোগও চলছে। এলডিসি উত্তরণ ২০২৯ সালের নভেম্বরে নেওয়ার প্রস্তাব জাতিসংঘের অনুমোদন প্রক্রিয়ায় রয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।