মৎস্য, প্রাণিসম্পদ ও কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, প্রাণিসম্পদ পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে প্রয়োজন হলে স্থানীয় পর্যায়ে ছোট আকারের প্যাকেজিং ও প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্র স্থাপনে সরকারি সহায়তা দেওয়া হবে। বুধবার উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে সাত জেলার নদীবিধৌত চরাঞ্চলের সমন্বিত প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পের দুই দিনব্যাপী সুফলভোগী প্রশিক্ষণের সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, ন্যায্যমূল্য না পাওয়ায় খামারিরা অনেক সময় ক্ষতিগ্রস্ত হন। এ সমস্যা সমাধানে উৎপাদন, প্যাকেজিং, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বাজারজাতকরণের প্রতিটি পর্যায়ে কার্যকর ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। তিনি আরও বলেন, পর্যাপ্ত মজুত থাকা সত্ত্বেও কৃত্রিম সারসংকট তৈরির চেষ্টা বরদাশত করা হবে না এবং কৃষকের চাহিদা অনুযায়ী সময়মতো সারসহ প্রয়োজনীয় কৃষি উপকরণ সরবরাহে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
কৃষক কার্ডের মাধ্যমে উৎপাদন ও উপকরণের তথ্য সংরক্ষণের ওপর গুরুত্ব দেন মন্ত্রী, যা সার ও বীজ বিতরণকে আরও সুশৃঙ্খল করতে পারে। অনুষ্ঠানে ২৫ জন প্রশিক্ষণার্থীকে ২৫টি বকনা গরু ও প্রাণিখাদ্য দেওয়া হয়। এছাড়া ১০০ কৃষক-কৃষাণীর মধ্যে ৫০০টি উন্নত জাতের বৃক্ষচারা বিতরণ করা হয়। পরে মন্ত্রী ফুলদী নদীর খালে রুই জাতীয় ২৮৬ কেজি মাছের পোনা অবমুক্ত করেন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।