চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে রিকন্ডিশন্ড গাড়ি আমদানি ২০২৬ সালের মার্চ ও এপ্রিলে গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৫৫ শতাংশ কমেছে। ফেব্রুয়ারির শেষে ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলার পর বিশ্ববাজারে অস্থিরতা ও জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় এই পতন শুরু হয়। ২০২৫ সালে প্রতি মাসে গড়ে ১২০০ গাড়ি আমদানি হলেও এ বছরের মার্চে এসেছে ৪৯৭টি এবং এপ্রিলে ৭৪৪টি গাড়ি। ফলে বন্দরের কারশেড এখন অনেকটাই ফাঁকা পড়ে আছে।
রিকন্ডিশন্ড গাড়ি ব্যবসায়ীরা জানান, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ, জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি এবং দেশের অর্থনৈতিক স্থবিরতা আমদানি কমার মূল কারণ। বারভিডার সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান বলেন, মানুষের হাতে টাকা না থাকা এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের মন্দাভাবের কারণে গাড়ি বিক্রি ও আমদানি দুটোই কমেছে। সরকারি প্রকল্পে গাড়ি কেনা বন্ধ এবং ঋণ সুবিধা স্থগিত থাকায় পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে।
চট্টগ্রাম কাস্টমস জানায়, ২০২৫ সালের প্রথম চার মাসে রিকন্ডিশন্ড গাড়ি থেকে রাজস্ব আয় ছিল প্রায় ৮০০ কোটি টাকা, যা ২০২৬ সালে কমে দাঁড়িয়েছে ৫৪৫ কোটি টাকায়। এতে খাতটির সামগ্রিক মন্দাভাব স্পষ্ট হয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।