আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন না হওয়া এবং সংবিধান সংস্কার শুরু না হওয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে সেন্টার ফর ইনক্লুসিভ পলিসি গভর্নেন্স আয়োজিত ‘সরকারের ৬ মাস: প্রত্যাশা, প্রাপ্তি ও ঘাটতির মূল্যায়ন’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
তাজুল ইসলাম বলেন, জুলাই সনদ ছিল জুলাই বিপ্লবের সব মানুষের আকাঙ্ক্ষার বাস্তব রূপ এবং বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বশীল সব রাজনৈতিক দল এতে স্বাক্ষর করেছিল। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, নতুন সরকার আসার পর রাষ্ট্রকাঠামোর পুরো চেহারা বদলানোর প্রত্যাশা ছিল, যার মধ্যে সংবিধান সংস্কারও অন্তর্ভুক্ত ছিল।
তিনি বলেন, উচ্চকক্ষ বা দ্বিকক্ষ সংসদ গঠন, সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ বাতিল এবং নির্বাচন কমিশন, দুর্নীতি দমন কমিশন, সুপ্রিম কোর্ট ও পুলিশ প্রশাসনের মতো প্রতিষ্ঠান পরিবর্তনের কথা ছিল। কিন্তু কোনো কাজই শুরু হয়নি বলে তিনি দাবি করেন। জুলাই সনদের প্রতিটি অক্ষর বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতির সঙ্গে বাস্তব পদক্ষেপের অসামঞ্জস্য নিয়েও তিনি সমালোচনা করেন। ১৯৭২ সালের সংবিধান ডাস্টবিনে নিক্ষেপ করা উচিত বলে খালেদা জিয়ার অতীত মন্তব্য তুলে ধরে বিএনপির বর্তমান অবস্থান নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।