ইরান যুদ্ধের প্রভাবে মধ্যপ্রাচ্যের আকাশপথে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটায় দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়ে বছরের প্রথম ছয় মাসে ৩ কোটি ১৫ লাখ যাত্রী যাতায়াত করেছেন। এটি গত বছরের একই সময়ের প্রায় ৪ কোটি ৬০ লাখ যাত্রীর তুলনায় ৩১.৩ শতাংশ কম। বুধবার প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে দুবাই এয়ারপোর্টস এই পতনের জন্য আঞ্চলিক আকাশসীমার বিধিনিষেধ ও ফ্লাইট সূচির বড় পরিবর্তনকে দায়ী করেছে।
প্রতিষ্ঠানটি প্রথমার্ধকে ডিএক্সবির ইতিহাসের অন্যতম চ্যালেঞ্জিং সময় বলেছে। যুদ্ধ শুরুর পর মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন রুটে ফ্লাইট বাতিল, পুনঃনির্ধারণ ও বিকল্প পথে পরিচালনা বেড়ে যায়, যার প্রভাব পড়ে উপসাগরীয় এই ব্যস্ত বিমানবন্দরে। উড়োজাহাজ চলাচল ৩২.১ শতাংশ কমে ১ লাখ ৫০ হাজার ৬০০টিতে দাঁড়ায় এবং কার্গো পরিবহন ২৮.৭ শতাংশ কমে ৭ লাখ ৫১ হাজার ৩৪০ টন হয়।
তবে দ্বিতীয় প্রান্তিকে যাত্রী চলাচলে ধীরে ধীরে পুনরুদ্ধারের ইঙ্গিত মিলেছে। এপ্রিলের ৩৫ লাখ থেকে মে মাসে ৪৫ লাখ এবং জুনে ৫০ লাখে পৌঁছায় যাত্রীসংখ্যা। দ্বিতীয় প্রান্তিকে মোট ১ কোটি ৩০ লাখ যাত্রী ছিল, যা আগের বছরের তুলনায় ৪২ শতাংশ কম। এয়ারলাইনগুলো ফ্লাইট ও সক্ষমতা ফেরানোয় দ্বিতীয়ার্ধে যাত্রী বাড়বে বলে আশা করছে দুবাই এয়ারপোর্টস, তবে প্রায় ১০ কোটি বার্ষিক যাত্রীর পূর্বাভাস এখন অনিশ্চিত।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।