মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শুক্রবার দাবি করেছেন, ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের সঙ্গে একটি চুক্তির মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ও অন্যান্য প্রয়োজনের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ‘স্থায়ী নিয়ন্ত্রণ’ পেয়েছে। তবে চুক্তির পূর্ণাঙ্গ পাঠ প্রকাশ করা হয়নি। ডেনমার্ক বলেছে, এ ব্যবস্থায় গ্রিনল্যান্ডের সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ন হবে না। ডেনমার্কের ভাষ্য অনুযায়ী, আগামী সপ্তাহে নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সময় চুক্তিটি সই হওয়ার কথা; পরে ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের পার্লামেন্টে অনুমোদন লাগবে।
ট্রাম্প বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের অনুমতি ছাড়া প্রতিপক্ষ দেশগুলো গ্রিনল্যান্ডে সামরিক উপস্থিতি গড়তে বা ‘সংবেদনশীল বিনিয়োগ’ করতে পারবে না। বিবিসির উদ্ধৃত এক মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর কর্মকর্তা জানান, ন্যাটোর বাইরের দেশগুলো সেখানে সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করতে পারবে না এবং যুক্তরাষ্ট্রের জন্য হুমকির সম্ভাবনা থাকা খাতে বিনিয়োগও করতে পারবে না। গ্রিনল্যান্ড ও ডেনমার্ক উভয়েই চুক্তির বিষয়টি স্বীকার করলেও সুনির্দিষ্ট শর্ত প্রকাশ করেনি।
ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন বলেছেন, চুক্তিটি ডেনমার্কের রাজ্যের সার্বভৌমত্ব, ভৌগোলিক অখণ্ডতা ও গ্রিনল্যান্ডবাসীর আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার স্বীকার করে। গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ইয়েন্স-ফ্রেডেরিক নিলসেন একে সবার জন্য কল্যাণকর বলেছেন। সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, চুক্তিতে গ্রিনল্যান্ডের মালিকানা যুক্তরাষ্ট্রের কাছে যাচ্ছে না। ১৯৫১ সালের চুক্তির অধীনে যুক্তরাষ্ট্রের আগে থেকেই সেখানে বিস্তৃত সামরিক অধিকার রয়েছে; নতুন চুক্তিতে বাস্তবে কী বদলাবে, তা এখনো অস্পষ্ট।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।