ইন্দোনেশিয়ার যোগ্যাকার্তা শহরে একটি ডে-কেয়ার কেন্দ্রে শিশু নির্যাতন ও অবহেলার অভিযোগে ১১ কর্মীর বিচার ১৮ আগস্ট স্থানীয় আদালতে শুরু হয়েছে। মামলাটি লিটল আরেশা ডে-কেয়ারকে ঘিরে। এপ্রিলের পুলিশ অভিযানে সেখানে দুই থেকে ছয় বছর বয়সী কয়েকজন শিশুকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় পাওয়া যায়। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, কয়েকজন শিশুকে দরজার সঙ্গেও বেঁধে রাখা হয়েছিল।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা আদালতে অভিযোগ করেন, শাস্তির নামে শিশুদের খাবার থেকে বঞ্চিত করা হতো, পানিতে মাথা ডুবিয়ে দেওয়া হতো এবং পা বেঁধে রাখা হতো। এসব ঘটনায় অনেক শিশু মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানানো হয়েছে; তাদের ঘুমের সমস্যা ও দীর্ঘস্থায়ী ভয়ের লক্ষণ দেখা গেছে। ঘটনাটি দেশজুড়ে ক্ষোভ সৃষ্টি করেছে এবং ডে-কেয়ার কেন্দ্রগুলোর ওপর কঠোর সরকারি নজরদারির দাবি উঠেছে।
পুলিশের তদন্তে মোট ৩২ জনকে সন্দেহভাজন বা আসামি করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, কেন্দ্রটি ২০২২ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়া চলেছে। চেয়ারম্যান দিয়াহ কুসুমাস্তুতির বিরুদ্ধে নির্যাতনের নির্দেশ দেওয়া ও লাইসেন্স ছাড়া প্রতিষ্ঠান পরিচালনার অভিযোগও আছে। দোষী সাব্যস্ত হলে সর্বোচ্চ পাঁচ বছর কারাদণ্ড ও ১০ কোটি ইন্দোনেশীয় রুপিয়া জরিমানা হতে পারে, তবে চূড়ান্ত রায়ের আগে অভিযুক্তরা অপরাধী নন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।