চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের বিভিন্ন কারখানা ও নির্মাণাধীন স্থাপনায় ধারাবাহিক চুরি ও ডাকাতির ঘটনায় বিনিয়োগকারীদের নিরাপত্তা উদ্বেগ বেড়েছে। চলতি বছরের এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পাঁচ মাসে অন্তত পাঁচটি চুরি ও ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। সর্বশেষ ২৪ সেপ্টেম্বর রাতে নির্মাণাধীন ইনভেস্টরস ক্লাব থেকে ২৫ মিটার দীর্ঘ জায়ান্ট বৈদ্যুতিক কেবল চুরি হয়, যার আনুমানিক মূল্য প্রায় চার লাখ টাকা।
খবর পেয়ে জোরারগঞ্জ থানা ও চরশরৎ ক্যাম্প পুলিশ তিন ঘণ্টার মধ্যে অর্থনৈতিক অঞ্চলের ঝোপঝাড় থেকে কেবলটি উদ্ধার করে, তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে চোরেরা পালিয়ে যায়। ৮ আগস্ট রাতে ১০ থেকে ১৫ জনের সশস্ত্র দল বাংলাদেশ অটো ইন্ডাস্ট্রিজে ঢুকে নিরাপত্তাকর্মীদের জিম্মি করে তিনটি মোবাইল ও প্রায় ২৫০ মিটার বৈদ্যুতিক তার লুট করে। পরে পুলিশ সাতজনকে গ্রেপ্তার এবং মালামাল উদ্ধার করে।
কর্মকর্তারা অপর্যাপ্ত পুলিশ ও শিল্প পুলিশ, অসম্পূর্ণ সীমানা সুরক্ষা এবং কিছু প্রতিষ্ঠানের দুর্বল নিজস্ব নিরাপত্তাকে প্রধান সমস্যা হিসেবে উল্লেখ করেছেন। নিরাপত্তা জোরদারে নতুন সিকিউরিটি অফিসার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, এক মাসের মধ্যে আরও ১০০ নিরাপত্তাকর্মী যুক্ত হওয়ার কথা রয়েছে। ছয় ফুটের সীমানাপ্রাচীর ১৩ ফুটে উন্নীত করা ও কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার অনুমোদন প্রক্রিয়াধীন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।