২০০৯ সালের পিলখানার বিডিআর হত্যাকাণ্ডের প্রত্যক্ষদর্শী ছিলেন বিডিআর হাসপাতালের মেডিকেল সহকারী নজরুল ইসলাম মল্লিক। ওই ঘটনায় ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন নিহত হন। ঘটনার পর নজরুল প্রাণভয়ে পালিয়ে গিয়ে ছদ্মনামে আত্মগোপনে ছিলেন। কিন্তু ২০১০ সালের মার্চে তাকে সাদা পোশাকধারীরা তুলে নিয়ে যায় এবং পরে তার লাশ বাগেরহাটের বলেশ্বর নদী থেকে উদ্ধার করা হয়।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর নজরুলের স্ত্রী মুন্নী আক্তার স্বামীর হত্যার বিচার চেয়ে মামলা করেন। নজরুল হত্যাসহ শতাধিক গুম-খুনের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বরখাস্ত সেনা কর্মকর্তা মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসানের বিচার চলছে। পরিবারের সদস্যরা জানান, ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে নজরুলের লাশ শনাক্ত করা হয় এবং পরে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
গোয়েন্দা সংস্থার মাধ্যমে পরিবার জানতে পারে, তৎকালীন র্যাব গোয়েন্দা প্রধান জিয়াউল আহসান নজরুলকে হত্যা করেছেন। এই মামলা এখনো চলমান এবং ২০০৯ সালের বিডিআর বিদ্রোহ-সংক্রান্ত গুম ও হত্যার তদন্তের অংশ হিসেবে বিবেচিত।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।