বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের সাম্প্রতিক ইসরাইলবিরোধী ক্ষেপণাস্ত্র হামলাগুলো গত কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে দুঃসাহসিক পদক্ষেপ, যা মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘদিনের প্রক্সি যুদ্ধ ও সীমিত প্রতিক্রিয়ার নীতি থেকে স্পষ্ট বিচ্যুতি নির্দেশ করে। লেবাননে ইসরাইলি হামলার জবাবে এই হামলার মাধ্যমে তেহরান জানিয়ে দিয়েছে যে তাদের ‘রেড লাইন’ এখন সীমান্তের বাইরে পর্যন্ত বিস্তৃত এবং বর্তমান নেতৃত্ব বড় ঝুঁকি নিতে প্রস্তুত।
৮ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি সত্ত্বেও তেহরান অভিযোগ করছে যে, ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র সামরিক পদক্ষেপের মাধ্যমে তা লঙ্ঘন করছে। লেবাননের প্রধানমন্ত্রীর তথ্যমতে, ইসরাইল হাজারো হামলা চালিয়েছে, যার জবাবে ইরান সীমিত পাল্টা হামলা চালায় এবং কূটনীতি ব্যর্থ হলে আরও বড় সংঘাতের হুঁশিয়ারি দেয়। একটি মার্কিন হেলিকপ্টার ভূপাতিত হওয়ার পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের নতুন প্রজন্মের নেতৃত্ব পূর্বসূরিদের ‘কৌশলগত ধৈর্য’ ত্যাগ করে সরাসরি সামরিক ও অর্থনৈতিক শক্তি প্রয়োগে আগ্রহী। তারা ওয়াশিংটন-তেল আবিবের মতভেদকেও কূটনৈতিক সুবিধায় পরিণত করতে চাইছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।