বাংলাদেশে মৌসুমের মধ্যেও ইলিশের সংকট, অস্বাভাবিক দাম বৃদ্ধি এবং ছোট মাছের আধিক্য দেখা যাচ্ছে বলে নিবন্ধে বলা হয়েছে। জাতীয় মাছ ও জিআই পণ্য হিসেবে ইলিশ নিয়ে গর্ব থাকলেও, শুধু গর্ব দিয়ে এ প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষা সম্ভব নয়। বিজ্ঞানভিত্তিক ব্যবস্থাপনা, কার্যকর আইনপ্রয়োগ, সুশাসন ও দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক অঙ্গীকারের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে দেশে ইলিশ উৎপাদন ছিল প্রায় ৫ দশমিক ২৯ লাখ টন, যা আগের বছরের প্রায় ৫ দশমিক ৭১ লাখ টনের তুলনায় প্রায় ৮ শতাংশ কম।
নিবন্ধে নদীর নাব্যহানি, দূষণ, জাটকা নিধন, নিষিদ্ধ সূক্ষ্ম ফাঁসের জালের ব্যবহার এবং জলবায়ু পরিবর্তনকে ইলিশের প্রধান হুমকি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। নিষেধাজ্ঞার সময় খাদ্যনিরাপত্তা না থাকলে দরিদ্র জেলেরা আইন ভাঙার ঝুঁকি নেন বলেও উল্লেখ করা হয়েছে। সরকারি সহায়তা বণ্টনে অনিয়ম বা রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে প্রকৃত জেলেরা বঞ্চিত হতে পারেন। অবৈধ জালের উৎপাদক, পাইকারি ব্যবসায়ী ও প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক ব্যবস্থা না নেওয়ায় অভিযান টেকসই ফল দিচ্ছে না।
খুচরা বাজারে দাম বৃদ্ধির পেছনে মধ্যস্বত্বভোগী, আড়তদার, মজুতদার ও দুর্বল তদারকির ভূমিকার কথা বলা হয়েছে। নিবন্ধটি নদী রক্ষা, দূষণ নিয়ন্ত্রণ, বিকল্প কর্মসংস্থান ও বাজার স্বচ্ছতায় বিভিন্ন সংস্থার সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান জানায়। কোল্ড চেইন, ডিজিটাল নিলাম এবং জেলে সমবায় শক্তিশালী করার পাশাপাশি নিরপেক্ষ আইনপ্রয়োগ ও স্থায়ী সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।