বাংলাদেশ ব্যাংক মেয়াদি ঋণকে খেলাপি হিসেবে শ্রেণিকরণের সময়সীমা সাময়িকভাবে বাড়ানোর কথা ভাবছে, যাতে কোনো ঋণ ৯ মাস মেয়াদোত্তীর্ণ থাকার পর খেলাপি হবে। বর্তমানে নির্ধারিত সময়ের পরদিন থেকে ঋণ মেয়াদোত্তীর্ণ ধরা হয় এবং ৯০ দিন পার হলে তা খেলাপি হিসেবে শ্রেণিকরণ করা হয়। ২৭ আগস্ট পাঁচ ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের বৈঠকে গভর্নর পরিকল্পনাটি তুলে ধরেন বলে উপস্থিত ব্যাংক কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
২০২৪ সালের নভেম্বরে আন্তর্জাতিক চর্চার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কঠোর শ্রেণিকরণ নীতি চালু হয়। এর আগে ২০১৯ সালে নীতিমালায় ছাড় দিয়ে খেলাপি ঋণ শনাক্তের সময়সীমা পিছিয়ে দেওয়া হয়েছিল, ফলে প্রতিবেদিত খেলাপি ঋণের হার কমে। জুন শেষে ব্যাংক খাতের খেলাপি ঋণ ছিল ৬ লাখ ৬ হাজার ২৮৪ কোটি টাকা, যা মোট ঋণের ৩২.৭৮ শতাংশ।
সংশ্লিষ্টদের হিসাবে, পুরোনো নীতিতে ফিরলে বর্তমান খেলাপি ঋণের হার ৬ থেকে ৭ শতাংশ পয়েন্ট কমতে পারে। তবে ব্যাংকাররা বলছেন, এতে প্রকৃত সমস্যা সমাধানের বদলে খেলাপি ঋণ আড়াল হবে এবং গ্রাহকদের বিরুদ্ধে সময়মতো ব্যবস্থা নেওয়া কঠিন হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেছেন, এমন নীতিমালা নেওয়ার বিষয়ে তিনি জানেন না এবং উইন্ডো ড্রেসিং করে খেলাপি ঋণ কমানো হবে না।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।