ইরান তেহরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের কথিত ‘অর্থনৈতিক যুদ্ধে’ অংশ নেওয়া দেশগুলোর বিরুদ্ধে পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকি দিয়েছে। ইরানের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা কর্মকর্তা মোহসেন রেজাই বলেন, ইরানের ওপর অর্থনৈতিক বিধিনিষেধ আরোপে অংশ নেওয়া যেকোনো দেশকে শত্রু হিসেবে গণ্য করা হবে। ২৪ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরান প্রথমে কূটনৈতিকভাবে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোকে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান থেকে সরে আসার আহ্বান জানাবে।
রেজাই বলেন, কূটনৈতিক উদ্যোগে কাজ না হলে ওই দেশগুলোর স্বার্থ ও স্থাপনায় হামলা চালানো হতে পারে। তেহরান বিশেষভাবে উপসাগরীয় দেশগুলোকে সতর্ক করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক চাপ বাস্তবায়নে সহায়তা করা হলে হরমুজ প্রণালির বাইরে বিকল্প পথেও উপসাগরীয় অঞ্চলের তেল রপ্তানি বন্ধের চেষ্টা করা হবে বলে ইরানের দাবি। এতে বিশ্ববাজারে তেল ও গ্যাসের সরবরাহ আরও ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর আরও কঠোর নিষেধাজ্ঞার প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে সহায়তাকারী দেশগুলোর জন্য বড় অর্থনৈতিক পরিণতির কথা বলেছেন। ওয়াশিংটন ইরানি তেলের বড় ক্রেতা চীনের ওপরও চাপ বাড়াচ্ছে। গবেষক হামিদরেজা আজিজি উপসাগরীয় দেশগুলোর প্রতি ইরানের সতর্কতাকে চরমপত্র বলেছেন; দীর্ঘ যুদ্ধ তেল রপ্তানি, বাণিজ্য ও আঞ্চলিক অর্থনীতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।