বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ রেগুলেটরি কমিশন বুধবার ঢাকার আগারগাঁওয়ে বিটিআরসি ভবনে টেলিযোগাযোগ সেবা ও নিয়ন্ত্রক সংস্থার কার্যক্রম নিয়ে অনলাইন গণশুনানি করেছে। এতে গ্রাহক, সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান, সংশ্লিষ্ট অংশীজন ও গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা সেবার মান, নেটওয়ার্ক কাভারেজ, কলড্রপ, ইন্টারনেটের গতি ও মূল্য, মোবাইল ডাটা ও ভয়েস সেবার চার্জ এবং গ্রাহকসেবা নিয়ে প্রশ্ন ও অভিযোগ তোলেন। বিটিআরসি জানিয়েছে, গ্রাহকের স্বার্থে ভয়েস কলের ফ্লোর প্রাইস কমানোর বিষয়ে কাজ চলছে; বর্তমানে নির্ধারিত ট্যারিফ ৪৫ পয়সা থেকে ২ টাকা।
১৭ থেকে ২৭ জুলাই পর্যন্ত অনলাইনে ২,৯৯০ জন গ্রাহক নিবন্ধন করেন। তাঁদের মধ্যে ১,০৪৭ জন বিভিন্ন পেশাজীবী, ৬৩৮ জন শিক্ষার্থী এবং ১৭২ জন নারী ছিলেন। ট্যারিফ, ডাটার গতি ও মেয়াদ, ডাটা ক্যারি-ফরওয়ার্ড, নেটওয়ার্ক কাভারেজ, সিম নিবন্ধন, এনইআইআর, লাইসেন্স এবং সেবার মান নিয়ে সবচেয়ে বেশি অভিযোগ আসে। বিটিআরসি বলেছে, টেলিটক বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে প্রত্যন্ত ও দুর্গম এলাকাসহ দেশজুড়ে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ অব্যাহত রেখেছে।
নিয়মিত পরিমাপে মোবাইল টাওয়ারের তড়িৎচৌম্বকীয় বিকিরণ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা মানের চেয়ে অনেক নিচে পাওয়া গেছে বলে কমিশন জানিয়েছে। বিদ্যুৎ বিভ্রাটে টাওয়ার সচল বা অচল থাকার অবস্থা পর্যবেক্ষণে একটি প্ল্যাটফর্মও তৈরি হয়েছে। জুলাই ২০২৫ থেকে জুন ২০২৬ পর্যন্ত পাওয়া ১৩,০০৯টি অভিযোগের মধ্যে ১১,২৭৯টি, অর্থাৎ ৮৬.৭০ শতাংশ নিষ্পত্তি হয়েছে বলে বিটিআরসি জানায়।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।