নির্বাচনের পর ইসরাইলের কেয়ারটেকার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ক্ষমতা প্রয়োগে কিছু সীমাবদ্ধতা আসতে পারে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ পরিচালনাসহ গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা তাঁর সরকারের হাতে থাকতে পারে। দেশটির সংবাদমাধ্যমের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ১২০ সদস্যের নেসেটে নেতানিয়াহুর ডানপন্থী জোট বা সাবেক সেনাপ্রধান গাদি আইজেনকটের নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোট—কোনোটিই সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে না।
আইজেনকট স্বীকার করেছেন যে নেতানিয়াহু তত্ত্বাবধায়ক প্রধানমন্ত্রী থাকবেন, তবে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে রাজনৈতিক স্বার্থে নিরাপত্তার বিষয়টি ব্যবহার করা হতে পারে। নেতানিয়াহুর দপ্তর আগে ইরান সংঘাতকে রাজনৈতিক সুবিধার জন্য ব্যবহারের অভিযোগ অস্বীকার করেছে। এ বিষয়ে রয়টার্সের মন্তব্যের অনুরোধে দপ্তরটি বুধবার তাৎক্ষণিক সাড়া দেয়নি।
ইসরাইল ডেমোক্রেসি ইনস্টিটিউটের গাই লুরি বলেন, আইনের ভাষায় কেয়ারটেকার সরকারের ক্ষমতা নিয়মিত সরকারের মতো হলেও তাদের সংযম দেখাতে হয়। তাকলিথ ইনস্টিটিউটের ওর আশের বলেন, নিরাপত্তা ইস্যু এ ক্ষেত্রে বড় ব্যতিক্রম। চূড়ান্ত ফলের পর প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজগ দলগুলোর নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করে সরকার গঠনের দায়িত্ব দেবেন; মনোনীত ব্যক্তি সর্বোচ্চ ৪২ দিন সময় পাবেন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।