বাংলাদেশে পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। বিদ্যুৎ উৎপাদন ও বিতরণকারী সংস্থাগুলো তাদের প্রস্তাব বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনে (বিইআরসি) পাঠিয়েছে, যা বুধবার রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে দুদিনব্যাপী গণশুনানি শুরু করেছে। প্রস্তাবে পাইকারি পর্যায়ে ১৭ থেকে ২১ শতাংশ এবং খুচরা পর্যায়ে ১৪.২১ থেকে ১৭.৭৬ শতাংশ পর্যন্ত দাম বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে। শুনানি শেষে অনুমোদন পেলে জুনের শুরু থেকে নতুন দাম কার্যকর করতে চায় বিতরণ কোম্পানিগুলো।
বিদ্যুৎ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের উৎপাদন ব্যয় ১২ টাকার বেশি হলেও গড় বিক্রয়মূল্য সাত টাকার কিছু বেশি, ফলে সরকারকে প্রতি ইউনিটে প্রায় পাঁচ টাকা লোকসান দিতে হচ্ছে। ২০২৪–২৫ অর্থবছরে ৩৮ হাজার ৬৩৭ কোটি টাকা ভর্তুকি দেওয়ার পরও ১৭ হাজার ২১ কোটি টাকার লোকসান হয়েছে। সরকার ভর্তুকি ১০ হাজার থেকে ১৬ হাজার কোটি টাকা কমানোর লক্ষ্যে দাম বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে। বিশেষজ্ঞরা এ পদক্ষেপের সমালোচনা করে বিদ্যুৎ খাতে দীর্ঘদিনের লুটপাট ও দুর্নীতির দায় সাধারণ মানুষের ওপর চাপানোর অভিযোগ তুলেছেন।
পিডিবি গ্রাহক স্ল্যাব পুনর্গঠনের প্রস্তাব দিয়েছে, যাতে দরিদ্র গ্রাহক সুরক্ষিত থাকেন এবং ধনী গ্রাহকদের ভর্তুকি কমানো যায়।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।