শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর অনুরোধে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ভারতের আদালত নেবে বলে দেশটির শীর্ষ কর্মকর্তাদের উদ্ধৃত করে জানিয়েছে দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস। ১৬ আগস্ট প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকারের করা অনুরোধটি ভারতের আদালতের প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হবে। কর্মকর্তাদের মতে, সিদ্ধান্তটি রাজনৈতিক বা কূটনৈতিকভাবে নেওয়া হবে না।
আদালত বিবেচনা করবে, বাংলাদেশের পক্ষ থেকে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো ভারতের আইনেও অপরাধ হিসেবে গণ্য হয় কি না। ভারতের এক কর্মকর্তা বলেন, প্রত্যর্পণ অনুরোধকে ঢাকা-নয়াদিল্লির চলমান কূটনৈতিক আলোচনা থেকে আলাদা করে দেখা সম্ভব নয়। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বিষয়টি প্রতিষ্ঠিত নিয়ম অনুযায়ী পরীক্ষা করা হচ্ছে এবং বাংলাদেশ প্রয়োজনীয় আইনি নথিও দিয়েছে।
বাংলাদেশ ২০২৫ সালের নভেম্বরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের রায়কে অনুরোধের ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করছে। আওয়ামী লীগের নেতারা বলছেন, আইনি প্রক্রিয়া শুরু হলে রায়টি চ্যালেঞ্জ করা হবে। ২০১৩ সালের প্রত্যর্পণ চুক্তি ও ভারতের ১৯৬২ সালের প্রত্যর্পণ আইনে তদন্ত ও ম্যাজিস্ট্রেটের সুপারিশের ব্যবস্থা রয়েছে; প্রাথমিক প্রমাণ যথেষ্ট না হলে মুক্তির সুযোগও আছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।