বাংলাদেশের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ সোনালী ব্যাংক পিএলসিকে কাগজে-কলমে হিসাবের পরিবর্তন বা ঋণের শ্রেণি বদলের বদলে খেলাপি ঋণ থেকে প্রকৃত নগদ অর্থ আদায়ে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে নির্দেশ দিয়েছে। সম্প্রতি আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব নাজমা মোবারেকের সঙ্গে ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। বৈঠকে ব্যাংকের আর্থিক ও পরিচালন অবস্থা, অগ্রগতি, ঝুঁকি, সম্ভাবনা ও প্রয়োজনীয় নীতি সহায়তা নিয়ে আলোচনা হয়।
সোনালী ব্যাংকের খেলাপি ঋণের হার ১৬.৪ শতাংশে নামলেও সুস্থ ও দক্ষ বাণিজ্যিক ব্যাংকের মানদণ্ডে তা এখনো বেশি বলে মনে করছে বিভাগটি। বাংলাদেশ ব্যাংকের বিশেষ এক্সিট সুবিধা যেন প্রকৃত ঋণ নিষ্পত্তি ও নগদ আদায়ে ব্যবহৃত হয়, ঋণ দীর্ঘায়িত করার পথ না হয়, সে বিষয়ে নজর দিতে বলা হয়েছে। এ সুবিধার আওতায় আসতে পারে এমন শ্রেণিকৃত ঋণ, পাওয়া আবেদন এবং নিষ্পত্তি হওয়া আবেদনের তথ্যও চাওয়া হয়েছে।
ক্ষুদ্র, ছোট, মাঝারি ও কুটির শিল্প, কৃষি, নারী ও নতুন উদ্যোক্তাদের অর্থায়ন বাড়ানোর তাগিদ দেওয়া হয়েছে। ঋণ দেওয়ার আগে ঋণগ্রহীতার সক্ষমতা, নগদ প্রবাহ, ব্যবসার কার্যকারিতা, প্রকৃত মালিকানা ও একই গোষ্ঠীতে মোট ঋণ যাচাইয়ের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। আগামী ১২ থেকে ২৪ মাসে নগদ আদায়, মানসম্পন্ন ঋণ, ডিজিটাল ব্যাংকিং, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা, সুশাসন ও আর্থিক অন্তর্ভুক্তিমূলক কর্মসূচি অগ্রাধিকার পাবে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।