আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির প্রায় চার দশকের প্রভাবশালী নেতৃত্বের অবসানকে স্মরণ করে ইরান এক বিশাল বিদায়ী আয়োজন করেছে। সরকার এই শোকানুষ্ঠানকে জাতীয় ঐক্যের প্রতীক হিসেবে তুলে ধরছে। প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজিশকিয়ান বলেছেন, জনগণের অংশগ্রহণ সন্ত্রাস ও দমননীতির বিরুদ্ধে শক্তিশালী জবাব হবে। ইরানের বাইরে ইরাকের পবিত্র শহর নাজাফ ও কারবালাতেও অনুরূপ অনুষ্ঠান হচ্ছে, যেখানে শিয়া বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ নেতারা এবং রাশিয়া, চীন, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের প্রতিনিধিরা অংশ নিচ্ছেন।
তেহরান এই আয়োজনের মাধ্যমে বিশ্বকে জানাতে চায় যে নেতৃত্ব পরিবর্তন হলেও ইসলামী প্রজাতন্ত্রের ভিত্তি অটুট রয়েছে। এটি নতুন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মুজতবা খামেনির জন্য প্রথম বড় পরীক্ষা এবং তার গ্রহণযোগ্যতা প্রমাণের সুযোগ। সেনাবাহিনী জানিয়েছে, এই উপস্থিতি প্রমাণ করে শহীদ নেতার পথ থেমে যায়নি, বরং নতুন নেতৃত্বে আরও শক্তিশালী হবে।
এই বিশাল সমাবেশের মাধ্যমে ইরান তার রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, ধর্মীয় সংহতি এবং জনগণের সমর্থন প্রদর্শন করতে চায়।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।