২০২৬ সালের ২৬ মে প্রকাশিত *আমার দেশ* পত্রিকায় সৈয়দ আবদাল আহমদের নিবন্ধে জিলহজ মাসের ৯ তারিখ আরাফার দিনকে ইসলামী বছরের শ্রেষ্ঠতম দিন হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন, হজের মূল হলো আরাফায় অবস্থান করা। এ দিনকে রহমত, মাগফিরাত ও জাহান্নাম থেকে মুক্তির দিন বলা হয়, যখন আল্লাহ অসংখ্য বান্দাকে ক্ষমা করেন ও তাদের দোয়া কবুল করেন।
নিবন্ধে বলা হয়েছে, যারা হজে নেই তাদের জন্য এ দিনে রোজা রাখা, দোয়া ও জিকিরে মশগুল থাকা অত্যন্ত সওয়াবের কাজ। এ দিনেই ইসলামের পূর্ণতা ঘোষণা করা হয় এবং নবীজি (সা.) আরাফার ময়দানে বিদায় হজের ঐতিহাসিক খুতবা প্রদান করেন। হাজিরা এ দিনে আরাফায় অবস্থান করে সূর্যাস্ত পর্যন্ত ইবাদতে লিপ্ত থাকেন, এরপর মুজদালিফায় গমন ও অন্যান্য হজের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেন।
শেষাংশে মক্কার কাবা শরিফ ও মদিনার মসজিদে নববির খতিবদের বক্তব্যে হজের ফরজ, মর্যাদা ও আন্তরিকতার গুরুত্ব তুলে ধরা হয় এবং সামর্থ্যবান মুসলমানদের দ্রুত হজ আদায়ের আহ্বান জানানো হয়।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।